শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
হাটহাজারীতে ১২০০ কৃষকের মাঝে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলালের গভীর কৃতজ্ঞতা দীঘিনালায় ২ হাজার ৩০৫ কৃষক পেলেন কৃষক কার্ড পাহাড়ে সম্প্রীতি রক্ষায় দায়িত্বশীলদের এগিয়ে আসার আহবান খাগড়াছড়িতে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবসের আলোচনা সভা পানছড়িতে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত রাজস্থলীতে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত বাঘাইছড়িতে ৩ লাখ টাকার অবৈধ কাঠ উদ্ধার খাগড়াছড়িতে তিন মাসের ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন রাঙ্গুনিয়ায় চুলার আগুনে বসতঘরের দুই কক্ষ পুড়ে ছাই দুর্গাপূজায় বাঘাইহাট ৫৪ বিজিবির ৩০ হাজার টাকা অনুদান মহালছড়িতে সারিবদ্ধ কাঠবোঝাই ট্রাক, দুর্ভোগে চালক-শ্রমিক প্রশিক্ষিত যুবসমাজ দেশের সম্পদ: বান্দরবান রিজিয়ন কমান্ডার পানছড়িতে অপুষ্টিতে আক্রান্ত শিশুদের জন্য চিকিৎসা সরঞ্জাম হস্তান্তর বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি থেকে নির্মল বড়ুয়া মিলনের পদত্যাগ রাজস্থলীতে এক মাসে ডেঙ্গু রোগী বেড়েছে প্রায় তিন গুণ গুইমারায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা, কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি থেকে নির্মল বড়ুয়া মিলনের পদত্যাগ

Reporter Name

দেবদত্ত মুৎসুদ্দী, রাঙামাটি প্রতিনিধি।।
বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব সাংগঠনিক পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন দলটির রাঙামাটি পার্বত্য জেলা কমিটির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নির্মল বড়ুয়া মিলন। গত ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে গণমাধ্যমে পাঠানো এক পদত্যাগপত্রে তিনি দলটির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হকের বিরুদ্ধে গঠনতন্ত্র লঙ্ঘন, একক সিদ্ধান্তে দল পরিচালনা এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতার অভাবসহ বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরেন।

পদত্যাগপত্রে নির্মল বড়ুয়া মিলন দাবি করেন, দুই কংগ্রেসের মধ্যবর্তী সময়ে কেন্দ্রীয় কমিটির সর্বোচ্চ কর্তৃত্ব থাকার কথা থাকলেও সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক কেন্দ্রীয় কমিটিকে পাশ কাটিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেছেন। এ ছাড়া কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি পদ শূন্য রাখা এবং পলিটব্যুরোর নাম ব্যবহার করে এককভাবে দল পরিচালনার অভিযোগও করেন তিনি।

দলীয় দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে নির্মল বড়ুয়া মিলন বলেন, ২০১৯ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত তিনি *কালের দাবি* পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পাশাপাশি দলের ওয়েবসাইট ও *জনগণতন্ত্র* পত্রিকার ওয়েবসাইট পরিচালনার ব্যয়ও নিজে বহন করেছেন। তাঁর দাবি, এ বাবদ দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রাপ্য ইন্টারনেট বিলের ৯৬ হাজার টাকা তাঁকে পরিশোধ করা হয়নি।

পদত্যাগপত্রে তিনি জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর, বিএনপির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং সংবিধান সংশোধন-সংক্রান্ত বিশেষ কমিটির সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বিষয়ে কেন্দ্রীয় কমিটির সঙ্গে আলোচনা না করার অভিযোগও তোলেন। এসব কর্মকাণ্ডে সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক ও পলিটব্যুরোর সদস্য বহ্নিশিখা জামালীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি।

এ ছাড়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গণতন্ত্র মঞ্চের প্রার্থী মনোনয়ন ও আসনসংক্রান্ত সিদ্ধান্তে একক ভূমিকা, নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব এবং বিএনপির কাছ থেকে নির্বাচনী অনুদান গ্রহণের বিষয়ে স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে বলে অভিযোগ করেন নির্মল বড়ুয়া মিলন। তবে এসব আর্থিক অভিযোগের পক্ষে কোনো স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য পদত্যাগপত্রে উল্লেখ করা হয়নি।

নির্মল বড়ুয়া মিলনের ভাষ্য, দীর্ঘ ১৭ বছর দলটির সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতায় তিনি মনে করেছেন, দলটির সিদ্ধান্ত গ্রহণে জেলা-উপজেলা পর্যায়ের নেতা-কর্মী ও শ্রমজীবী মানুষের মতামত যথাযথ গুরুত্ব পাচ্ছে না। এ পরিস্থিতিতে তিনি দলটির সঙ্গে আর যুক্ত থাকতে চান না।

পদত্যাগপত্রে সাইফুল হকের রাজনৈতিক ভূমিকা ও দল পরিচালনার পদ্ধতি নিয়ে আরও কিছু কঠোর সমালোচনা করেন তিনি। তবে এসব বক্তব্য নির্মল বড়ুয়া মিলনের ব্যক্তিগত অভিযোগ ও মূল্যায়ন।

এ বিষয়ে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক কিংবা সংশ্লিষ্ট অন্য নেতাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যুক্ত করে প্রতিবেদনটি হালনাগাদ করা প্রয়োজন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *