মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
লামায় ৫ ইটভাটা মালিককে আসামী করে থানায় মামলা সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ছানি অপারেশনের জন্য চট্টগ্রামে গেলেন ৮৪ রোগী মাদকদ্রব্য সেবন ও এলাকার শৃঙ্খলা নষ্টের দায়ে নারীসহ দুজনকে জেল জরিমানা কাপ্তাই জাতীয় উদ্যানে অজগর অবমুক্ত বাঘাইছড়িতে জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান ও সদস্যকে বিএনপির বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা লামায় দোকানে গাঁজা বিক্রির দায়ে ৬ মাসের কারাদণ্ড মাটিরাঙ্গায় ক্ষতিকর পোকা শনাক্তে আলোক ফাঁদ স্থাপন পার্বত্য অঞ্চলের কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য বিকাশে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের পূর্ণাঙ্গ সহযোগিতা কামনা পার্বত্য মন্ত্রীর বাঘাইছড়িতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে কাচালং বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক বিভিন্ন কমিটি গঠন করায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ মারমা ঐক্য পরিষদের সংবাদ সম্মেলন লক্ষীছড়িতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে প্রসবকালীন মায়েদের প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা প্রদানে প্রশিক্ষণ শুরু মহালছড়ি থানা পুলিশের অভিযানে গাঁজা সহ আটক ১ পাহাড়ি-বাঙ্গালি তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নে নানিয়ারচর জোনের মোবাইল সার্ভিসিং প্রশিক্ষণ মহালছড়ি জোনের উদ্যোগে ১৫ দিনব্যাপী মোবাইল রিপেয়ারিং প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠিত শ্রেষ্ঠ সাজা ওয়ারেন্ট তামিলকারী অফিসার কাপ্তাই থানার এএসআই নাসিরউদ্দীন লক্ষ্মীছড়িতে গর্ভবতী মায়েদের স্বাস্থ্যবিধি ও নিরাপদ প্রসববিষয়ক প্রশিক্ষণ

১০ লাখ টাকার কালভার্টেও মেলেনি সুফল, সেতুর দাবিতে ১০ গ্রামের মানুষের ক্ষোভ

Reporter Name

মেহেরাজ হোসেন সুজন, নানিয়ারচর প্রতিনিধি

রাঙামাটির নানিয়ারচরে করল্যাছড়ি এলাকায় বড় ঝিড়ির ওপর নির্মিত একটি ছোট কালভার্টকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দিয়েছে তীব্র ক্ষোভ।

সম্প্রতি কয়েক মাস আগে  উপজেলা পরিষদের এডিপির আওতায় এলজিইডি বাস্তবায়িত প্রায় ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে এই প্রকল্পটি স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের যাতায়াত সমস্যার সমাধান করতে পারেনি বলে অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, করল্যাছড়ি, মহালছড়ি, বাগছড়ি, উত্তর করল্যাছড়িসহ আশপাশের প্রায় ১০টি গ্রামের হাজারো মানুষের একমাত্র যাতায়াতের পথ এই ঝিড়ি। বর্ষা মৌসুমে পানির স্রোত বেড়ে গেলে পথটি সম্পূর্ণ অচল হয়ে পড়ে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা ছিল একটি টেকসই সেতু নির্মাণের; কিন্তু সেখানে নির্মাণ করা হয়েছে ছোট আকারের একটি কালভার্ট, যা বড় ঝিড়ির পানির প্রবাহ সামাল দিতে ব্যর্থ হচ্ছে।

স্থানীয় কার্বারী নিরোধ রঞ্জন কার্বারী অভিযোগ করে বলেন, “কালভার্ট নির্মাণ হলেও মানুষের দুর্ভোগ একটুও কমেনি। বরং পানি বাড়লেই আগের মতোই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এত বড় ঝিড়িতে ছোট কালভার্ট নির্মাণ করায় প্রকল্পটি কার্যত কোনো কাজে আসছে না।”

স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, কালভার্টের দুই পাশের মাটি পানির স্রোতে ধসে যাওয়ায় ওঠানামাও এখন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। এতে শিক্ষার্থী, কৃষক, রোগী ও সাধারণ মানুষের চলাচলে চরম ভোগান্তি সৃষ্টি হচ্ছে।

ক্ষোভ প্রকাশ করে এলাকাবাসী বলেন, “আমরা ছোট কালভার্ট চাইনি, চেয়েছিলাম একটি টেকসই সেতু। মানুষের কোনো উপকারে না এলে এই কালভার্টের প্রয়োজন নেই। এটি সরিয়ে আমাদের জন্য একটি বড় ও স্থায়ী সেতু নির্মাণ করা হোক।”

তাদের দাবি, সেখানে একটি উপযুক্ত সেতু নির্মাণ করা হলে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, রোগী, কৃষকসহ হাজারো মানুষের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত হবে। পাশাপাশি দুর্গম এলাকার শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কৃষি ও স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

এ বিষয়ে নানিয়ারচর উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী মো. ফজলুর রহমান-এর বক্তব্য জানতে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

প্রকল্পটির কার্যকারিতা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ বিরাজ করছে। এলাকাবাসীর দাবি, সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে প্রকল্পটি পুনর্মূল্যায়ন করে সেখানে দ্রুত একটি টেকসই সেতু নির্মাণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি উদ্যোগ নেওয়া হোক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *