
ঈদগাঁও প্রতিনিধি, কক্সবাজার
কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রকাশিত ফলাফলে ১৬টি জিপিএ-৫ পেয়ে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে ঈদগাহ আদর্শ শিক্ষা নিকেতন। অন্যদিকে ৭৩.৩৩ শতাংশ পাসের হার নিয়ে উপজেলায় শীর্ষে রয়েছে ঈদগাহ জাহানারা ইসলাম বাউবি।
আজ প্রকাশিত মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে ভিন্ন চিত্র উঠে এসেছে। এ ফলাফলে শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থীদের সাফল্য আশানুরূপ হলেও কিছু প্রতিষ্ঠানে পাসের হার তুলনামূলক কম রয়েছে।
পরীক্ষার্থীর সংখ্যার দিক থেকে সর্বোচ্চ ২৫৪ জন পরীক্ষার্থী নিয়ে শীর্ষে রয়েছে ঈদগাহ আদর্শ শিক্ষা নিকেতন, যেখান থেকে ১৬০ জন পাস করেছে এবং ১৬ জন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। এ প্রতিষ্ঠানের পাশের হার ৬২.৯৯%। অপরদিকে জিপিএ-৫ এর দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ঈদগাহ জাহানারা ইসলাম বাউবি ৬০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪৪ জন পাস ও ১১টি জিপিএ-৫ পেয়ে ৭৩.৩৩ শতাংশ পাসের হার নিশ্চিত করেছে।
এছাড়া ঈদগাহ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে ২০৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৪৩ জন পাস এবং ৯টি জিপিএ-৫ অর্জিত হয়েছে, যেখানে পাসের হার ৬৯.০৮ শতাংশ।
পোকখালী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৪১ জনের মধ্যে ২৭ জন পাস ও ২টি জিপিএ-৫ (পাসের হার ৬৫.৮৫ শতাংশ) এবং নাপিতখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ৪৯ জনের মধ্যে ৩১ জন পাস ও ২টি জিপিএ-৫ (পাসের হার ৬৩.২৭ শতাংশ) অর্জন করেছে। তবে গোমাতলী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৩৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র ১৩ জন পাস করায় পাসের হার নেমে দাঁড়িয়েছে ৩৪.২১ শতাংশে এবং এই প্রতিষ্ঠান থেকে কোনো জিপিএ-৫ অর্জিত হয়নি।
প্রকাশিত উপাত্ত অনুযায়ী উপজেলার ৬টি প্রতিষ্ঠানে মোট পরীক্ষার্থীর বড় একটি অংশ অংশ নিলেও জিপিএ-৫ এবং পাসের হারে উল্লেখযোগ্য তারতম্য পরিলক্ষিত হয়েছে। শিক্ষক ও অভিভাবক মহল মনে করছেন মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে পিছিয়ে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিশেষ নজর দেয়া প্রয়োজন। শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যেসব প্রতিষ্ঠান কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে, তাদের শিক্ষাদানের মান উন্নয়ন ও মনিটরিং আরো জোরদার করা জরুরি। সামগ্রিক এ ফলাফল ঈদগাঁও উপজেলার শিক্ষাঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে।