রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঈদগাঁও উপজেলায় চলছে স্মার্ট কৃষি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনায় নৌ পথে আগামী ৩০শে জুলাই পর্যন্ত চলাচল বন্ধ বান্দরবানে বন্যাকবলিত ঋণগ্রহীতাদের কিস্তি আদায়ে তিন মাস স্থগিতের নির্দেশ ফলোআপ প্রতিবেদন; থানচিতে নিখোঁজ পর্যটক বিষয়ে যা জানা যাচ্ছে মানিকছড়িতে কৃষকদলের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন পানছড়িতে মাদকবিরোধী অবস্থান ঘোষণা পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ ও যুব সমিতির উল্টোরথ উপলক্ষে খাগড়াছড়ির ছোটগাছবান পাড়ায় ধর্মীয় অনুষ্ঠানে ভক্তদের মিলনমেলা ঈদগাঁওয়ে পৃথক অভিযানে তিন পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেফতার বান্দরবানে বন্যাকবলিত ১৫০ পরিবারের পাশে এমপি সাচিংপ্রু জেরি মাটিরাঙ্গা-গোমতি সড়কের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ সংস্কার করলেন বিএনপি নেতা জিয়াউর রহমান বিদ্যুৎ সংযোগের অপেক্ষায় গুইমারা উপজেলা প্রশাসনিক ভবন, ব্যাহত সেবা কার্যক্রম সেলিম বাবু হত্যা মামলায় তিন আসামির জামিন নামঞ্জুর, কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ অতিরিক্ত ইট বোঝাই ট্রাকের চাপে সাহেবনগর বেইলি ব্রিজ ধসে, রাঙ্গুনিয়ায় সড়ক যোগাযোগ বন্ধ ফারুয়া ইউনিয়নে ১৫০ জনকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দিল আশিকা নাইক্ষ্যংছড়িতে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ৬০ পরিবারকে ১১ বিজিবির ত্রাণ সহায়তা রাজস্থলীর দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে ইউএনওর ত্রাণ বিতরণ

আলীকদমে বন্যাদুর্গতদের ত্রাণ সহায়তা দিল খুইল্লা মিয়া চেয়ারম্যান ফাউন্ডেশন

Reporter Name

​মো. জয়নাল আবেদীন, আলীকদম প্রতিনিধি।।
টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যার পানি নেমে গেলেও বান্দরবানের আলীকদম উপজেলায় রয়ে গেছে ক্ষয়ক্ষতির চিহ্ন। ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট ও কৃষিজমির ব্যাপক ক্ষতিতে বিপাকে পড়েছেন অনেক পরিবার। এ পরিস্থিতিতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ও অসহায় মানুষের মাঝে ত্রাণ ও পুনর্বাসন সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করছে মরহুম আলহাজ্ব খুইল্লা মিয়া চেয়ারম্যান ফাউন্ডেশন।

ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও সমাজসেবক ইউনুছ মিয়ার উদ্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্যে খাদ্যসামগ্রী, বিশুদ্ধ পানি, প্রয়োজনীয় ওষুধসহ বিভিন্ন সহায়তা বিতরণ করা হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর খাদ্যসংকট, বিশুদ্ধ পানির অভাব এবং পানিবাহিত রোগের ঝুঁকির কারণে অনেক পরিবার দুর্ভোগে রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ত্রাণ সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

এলাকাবাসী জানান, ইউনুছ মিয়ার উদ্যোগে এটি প্রথমবারের মতো ত্রাণ কার্যক্রম নয়। ২০২৩ সালের বন্যার সময়ও তিনি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে সহায়তা বিতরণ করেছিলেন। এছাড়া বিভিন্ন সময় অসচ্ছল মানুষের চিকিৎসাসহ সামাজিক ও মানবিক বিভিন্ন কার্যক্রমেও তিনি সহযোগিতা করে আসছেন বলে স্থানীয়রা জানান।

ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ইউনুছ মিয়া বলেন, “বন্যার পানি নেমে গেলেও মানুষের দুর্ভোগ শেষ হয়নি। এই সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানো প্রয়োজন। আমাদের ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে সাধ্যমতো সহায়তা অব্যাহত থাকবে।”

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, বন্যা-পরবর্তী সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসনে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি ব্যক্তি ও সামাজিক সংগঠনের এ ধরনের সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *