বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১১:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পাহাড়ে মানবাধিকার ও জননিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ, ২৪০ ঘটনার দাবি নাগরিক পরিষদের গুইমারায় ৩০০ কৃষক পেলেন সরকারি কৃষি প্রণোদনা, বিতরণ করা হলো বীজ ও সার পানছড়িতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা, অপরাধ দমনে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান রাঙ্গুনিয়ায় নদীভাঙনের ঝুঁকিতে মসজিদ-মাদ্রাসা, স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি লামায় ফাইতং উচ্চ বিদ্যালয়ে কৃষকদলের বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি পানছড়িতে মাওলানা আব্দুল মজিদের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল মাটিরাঙ্গায় খাল থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটায় ৪০ হাজার টাকা জরিমানা কাপ্তাইয়ে এসডিজি বাস্তবায়ন ও সমন্বয় কমিটির সভা, ১০ আগস্ট উদ্বোধন হচ্ছে দেশের প্রথম এসডিজি ভিলেজ মহালছড়ি জোনের উদ্যোগে তৃতীয় ধাপে ২০ রোগীর সফল ছানি অপারেশন, নিরাপদে বাড়ি ফিরলেন সবাই ২০ বছরেও পাকা হয়নি ২০০ মিটার সড়ক, দুর্ভোগে রাজস্থলীর দুই আবাসিক পাড়ার বাসিন্দারা মাটিরাঙ্গা সীমান্তে বিজিবি-চোরাকারবারীদের মধ্যে গোলাগুলি, ৪ পিস্তল ও গুলি উদ্ধার বাঘাইছড়িতে টিলার জমি নিয়ে পাহাড়ি-বাঙালি সংঘর্ষ, আহত ২ ২০ বছর পলাতক থাকার পর হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার বিলাইছড়িতে বন্যাদুর্গত ১০৪ পরিবারকে বৌদ্ধ ভিক্ষু সংঘের নগদ সহায়তা কক্সবাজারে ‘জুলাই রেভ্যুলুশনারি এ্যালায়েন্স’-এর জেলা কমিটি ঘোষণা মাটিরাঙ্গায় ১০ লাখ টাকার ভারতীয় জুসের চালান জব্দ করল সেনাবাহিনী

২০ বছরেও পাকা হয়নি ২০০ মিটার সড়ক, দুর্ভোগে রাজস্থলীর দুই আবাসিক পাড়ার বাসিন্দারা

Reporter Name

হাবীবুল্লাহ মিসবাহ, রাজস্থলী প্রতিনিধি।।
রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলার বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের আবাসিক মুন্সিপাড়ায় প্রায় ২০০ মিটার দীর্ঘ একটি কাঁচা সড়ক দুই দশকেও পাকা হয়নি। বর্ষা মৌসুমে কাদামাটির কারণে স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষার্থী ও রোগীদের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাজস্থলী-বাঙ্গালহালিয়া প্রধান সড়ক থেকে আবাসিক মুন্সিপাড়া খাল পর্যন্ত এই সড়কটিই এলাকার বাসিন্দাদের একমাত্র যাতায়াতের পথ। প্রায় ২০ বছর আগে গড়ে ওঠা আবাসিক মুন্সিপাড়ায় বর্তমানে প্রায় ৩০টি পরিবারের বসবাস। সড়কটির শেষ প্রান্তে থাকা একটি খাল পার্শ্ববর্তী আবাসিক হিন্দুপাড়ার প্রায় ৪০ থেকে ৫০টি পরিবারের বাসিন্দারাও বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও পূজা-পার্বনের সময় ব্যবহার করেন। ফলে প্রায় ৮০টি পরিবারের চলাচলের জন্য সড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এলাকাবাসীর দাবি, সড়কটি দ্রুত পাকা করার পাশাপাশি খালের পাশে একটি ড্রেন এবং শেষ প্রান্তে একটি কালভার্ট বা ছোট সেতু নির্মাণ করা হলে দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান হবে।

আবাসিক মুন্সিপাড়ার বাসিন্দা আব্দুল হামিদ বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে একই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সামান্য বৃষ্টিতেই পুরো রাস্তা কাদায় ভরে যায়। তখন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয়। বিশেষ করে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয় ও কলেজে যেতে এবং অসুস্থ রোগীদের হাসপাতালে নিতে চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়।”

আবাসিক হিন্দুপাড়ার মা মগদ্ধেশ্বরী মাতৃমন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি প্রিয়লাল দত্ত বলেন, “আমাদের এলাকায় খাল বা পুকুর না থাকায় বিভিন্ন পূজা-পার্বনের সময় মুন্সিপাড়ার খালে যেতে এই সড়ক ব্যবহার করতে হয়। বর্ষাকালে রাস্তা কাদাযুক্ত হয়ে পড়ায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয়।”

স্থানীয় ইউপি সদস্য কাইয়ুম হোসেন মিরাজ বলেন, দীর্ঘদিনেও সড়কটি উন্নয়ন না হওয়ায় এলাকাবাসী নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। তিনি সড়কটি ইট সলিং বা পাকাকরণের পাশাপাশি ড্রেন ও একটি ছোট সেতু নির্মাণের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।

এ বিষয়ে বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আদোমং মারমা বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের সীমিত বরাদ্দ দিয়ে এ ধরনের উন্নয়নকাজ বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। জেলা পরিষদ বা পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে প্রকল্প গ্রহণ করা হলে সড়কটির উন্নয়ন করা সম্ভব হবে। তিনি জনস্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ দেওয়ার আহ্বান জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *