মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ১০:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
খাগড়াছড়িতে সাংবাদিকদের তিন দিনব্যাপী এআই, ফ্যাক্ট চেকিং ও সাংবাদিক সুরক্ষা প্রশিক্ষণ শুরু নানিয়ারচরে সেনাবাহিনীর মানবিক সহায়তা খাগড়াছড়িতে লোকাল রেজিলিয়েন্স প্ল্যান নিয়ে জেলা পর্যায়ের অ্যাডভোকেসি কর্মশালা অনুষ্ঠিত খাগড়াছড়িতে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সাংবাদিক অবহিতকরণ সভা বিলাইছড়িতে আর্জেন্টিনাুব্রাজিল সমর্থকদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচে ব্রাজিলের জয় বিলাইছড়িতে বিএনপি-যুবদলের প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত কাপ্তাইয়ে ৪১ বিজিবির প্লাস্টিক দূষণবিরোধী বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান আল নজির ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে গর্জনিয়ায় ৫০০ অসহায় পরিবারের মাঝে চাল বিতরণ দীর্ঘদিন পর মহালছড়িতে নতুন ইউএনও যোগদান বাঘাইছড়িতে যুবদলের প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত অপপ্রচারের প্রতিবাদে গুইমারায় বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল পিডিবিএফের তিন দিনব্যাপী নেতৃত্ব বিকাশ ও সামাজিক উন্নয়ন প্রশিক্ষণ শুরু নাইক্ষ্যংছড়ির দুর্গম পাহাড়ে অজ্ঞাত ব্যক্তির কঙ্কাল উদ্ধার, তদন্ত শুরু বান্দরবানে ‘শহীদ আবু সাঈদ স্মৃতি পাঠাগার’ উদ্বোধন আলীকদমে সেনা জোনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন, বিতরণ ৪ হাজার চারা বাংলাদেশ কি তাদের বাপের? মাতৃভূমির আর এক ইঞ্চি জমিও রোহিঙ্গাদের আবাসনের জন্য নয়

বাংলাদেশ কি তাদের বাপের? মাতৃভূমির আর এক ইঞ্চি জমিও রোহিঙ্গাদের আবাসনের জন্য নয়

Reporter Name

।।এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী ।।
সাম্প্রতিক সময়ে জাতিসংঘ মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের জন্য বাংলাদেশে আরও জমি বা নতুন ক্যাম্প স্থাপনের জন্য সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছিল। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, বাংলাদেশ কি তাদের বাপের দেশ? একটি সার্বভৌম ও ঘনবসতিপূর্ণ দেশ হিসেবে বাংলাদেশ নিজের নাগরিকদের মৌলিক চাহিদা মেটাতেই হিমশিম খাচ্ছে। তাই সরকারের তরফ থেকে জাতিসংঘের এ আবেদন সরাসরি নাকচ করে দেওয়া হয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আর এক ইঞ্চি জমিও রোহিঙ্গাদের আবাসনের জন্য দেওয়া হবে না। বাংলাদেশের মূল অবস্থান হলো রোহিঙ্গা সংকটের উৎপত্তি মিয়ানমারে, তাই এর সমাধানও মিয়ানমাকেই করতে হবে। রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধান কেবল তাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে নিরাপদ প্রত্যাবাসনেই নিহিত। বাংলাদেশ সরকার বরাবরই সুস্পষ্টভাবে জানিয়ে আসছে যে, তারা আর কোনো নতুন জমি বরাদ্দ দেবে না। শরণার্থী বোঝা ভাগাভাগি করতে এবং স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত তৃতীয় কোনো দেশে স্থানান্তরের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা।
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে ভয়াবহ জাতিগত নিধন ও সহিংসতার শিকার হয়ে ২০১৭ সাল থেকে ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। তৎকালীন সময়ে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বাংলাদেশ এ বিশাল জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দিয়ে বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হয়েছিল। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে এই সাময়িক আশ্রয় একটি দীর্ঘস্থায়ী ও জটিল জাতীয় সংকটে রূপ নিয়েছে। গত এক দশকে বাংলাদেশের অর্থনীতি, পরিবেশ, সামাজিক ভারসাম্য এবং জাতীয় নিরাপত্তার ওপর এই বিপুল জনগোষ্ঠীর বোঝা অত্যন্ত প্রকট হয়ে উঠেছে।
বিশ্বব্যাপী অনেক উন্নত ও কম জনবহুল দেশ রয়েছে এমন যৌক্তিক প্রশ্ন সাধারণ মানুষের মনে আসাই স্বাভাবিক। জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা (টঘঐঈজ) প্রতি বছরই কিছু নির্দিষ্ট সংখ্যক শরণার্থীকে তৃতীয় দেশে পুনর্বাসন (জবংবঃঃষবসবহঃ) করে থাকে। তবে এর বাস্তব চিত্র বেশ হতাশাজনক। বৈশ্বিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিশ্বে প্রায় ২৫ লাখেরও বেশি শরণার্থীর পুনর্বাসন প্রয়োজন। কিন্তু উন্নত দেশগুলোর বেঁধে দেওয়া সীমিত কোটা এবং রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাবে প্রতি বছর এ পুনর্বাসনের হার মাত্র ৭ শতাংশের কাছাকাছি। এ ছাড়াও, আসিয়ান (অঝঊঅঘ) সদস্যভুক্ত অনেক দেশ যারা জনবহুল নয়, তারাও বিভিন্ন ভূ-রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কারণে রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে আশ্রয় দিতে অনাগ্রহী। ফলে উন্নত বিশ্বে পুনর্বাসন একটি দীর্ঘমেয়াদী, ধীরগতির ও সীমিত প্রক্রিয়া, যা দিয়ে রাতারাতি ১২ লাখ রোহিঙ্গার সমস্যা সমাধান করা অসম্ভব। বাংলাদেশ সরকার ও সাধারণ মানুষের একটাই দাবি এ দীর্ঘায়িত সংকট আর বহন করা বাংলাদেশের পক্ষে সম্ভব নয়। রোহিঙ্গাদের জন্য স্থায়ী সমাধান হলো তাদের নিজ মাতৃভূমি মিয়ানমারে ফিরে যাওয়া। জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে নতুন করে জমি খোঁজার আবদার না করে, মিয়ানমারের ওপর কার্যকর কূটনৈতিক চাপ প্রয়োগ করতে হবে। রাখাইনে এমন অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে যেন রোহিঙ্গারা স্বেচ্ছায়, নিরাপদে ও সসম্মানে নিজ ভিটায় ফিরে যেতে পারে।
শুধুমাত্র বাংলাদেশের কাঁধে এই বিশাল মানবিক দুর্যোগের দায়ভার চাপিয়ে দেওয়া কোনো ন্যায়সঙ্গত সমাধান হতে পারে না। বিশ্বনেতা ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোকে কার্যকর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিতে হবে। রোহিঙ্গা তরুণ সমাজ যেন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে না পড়ে, তার জন্য তাদের শিক্ষা ও উপযুক্ত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা জরুরি। পাশাপাশি, বিশ্ব সম্প্রদায়কে মিয়ানমারের ওপর চাপ অব্যাহত রাখতে হবে যেন তারা তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়।  মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত লাখ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীর বোঝা বাংলাদেশের অর্থনীতি, সমাজ এবং নিরাপত্তার ওপর মারাত্মক চাপ সৃষ্টি করেছে। এ সংকট সমাধানে অতীতের সফল কূটনৈতিক ইতিহাস পর্যালোচনা করলে সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের নীতি একটি উজ্জ্বল ও কার্যকর দৃষ্টান্ত হিসেবে সামনে আসে। বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তার উত্তরসূরি এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকেও এ সংকট সমাধানে শহীদ জিয়ার সেই বিচক্ষণ ও দূরদর্শী নীতি অবলম্বন করতে হবে।
১৯৭৮ সালে মিয়ানমারের (তৎকালীন বার্মা) সামরিক জান্তা ‘কিং ড্রাগন অপারেশন’ চালিয়ে আড়াই লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে পুশব্যাক করেছিল। সেটিই ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বড় রোহিঙ্গা সংকট। তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান অত্যন্ত সাহসিকতা, জাতীয় আত্মমর্যাদা এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতির সমন্বয়ে এ সংকটের সমাধান করেছিলেন। রোহিঙ্গা সংকট কেবল একটি মানবিক সমস্যা নয়, এটি বাংলাদেশের ভূ-রাজনীতি এবং নিরাপত্তার জন্য একটি টাইম বোম। এ সংকট সমাধানে অতীতের দুর্বল ও তোষামোদি কূটনীতি ব্যর্থ প্রমাণিত হয়েছে। শহীদ জিয়াউর রহমান দেখিয়ে গেছেন কীভাবে আত্মমর্যাদা ও বিচক্ষণ কূটনীতির মাধ্যমে মিয়ানমারকে নতজানু করে নিজ নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে বাধ্য করা যায়।
বাংলাদেশ মানবিকতার পরিচয় দিয়ে গত এক দশক ধরে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে যে উদারতা দেখিয়েছে, তার কোনো বিকল্প নেই। তবে এই বোঝা চিরকাল বহন করা বাংলাদেশের পক্ষে সম্ভব নয়। তাই জাতিসংঘের উচিত নতুন জমির দাবি বাদ দিয়ে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে আরো জোরালো ও কার্যকর ভূমিকা পালন করা। বাংলাদেশ কোনোভাবেই রোহিঙ্গাদের স্থায়ী আবাসভূমি হতে পারে না এবং তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোই এই সংকটের একমাত্র এবং চূড়ান্ত সমাধান।
গোয়েন্দা প্রতিবেদন এবং স্থানীয় সূত্রের দাবি, কিছু এনজিও রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে গোপনে প্রচারণা চালায় যাতে রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে ফিরে যেতে অস্বীকৃতি জানায়। তারা রোহিঙ্গাদের মনে ভয় তৈরি করে এবং নাগরিকত্বের শতভাগ নিশ্চয়তা ছাড়া ফিরে না যাওয়ার জন্য উসকানি দেয়। বাস্তবসম্মত ধাপে ধাপে প্রত্যাবাসনের চেয়ে অবাস্তব শর্ত জুড়ে দিয়ে প্রক্রিয়াটিকে জটিল করে তোলার পেছনে এনজিওদের একাংশের হাত রয়েছে। এনজিওগুলোর অস্তিত্ব এবং তহবিল মূলত নির্ভর করে চলমান সংকটের ওপর। রোহিঙ্গা সংকট যত দীর্ঘস্থায়ী হবে, আন্তর্জাতিক দাতাগোষ্ঠীর কাছ থেকে তত বেশি ফান্ড বা অনুদান আসবে। অভিযোগ রয়েছে, এ ফান্ডের একটি বিশাল অংশ এনজিও কর্মকর্তাদের উচ্চ বেতন, বিলাসবহুল জীবনযাপন, গাড়ি ভাড়া এবং প্রশাসনিক কাজেই শেষ হয়ে যায়। ফলে সংকট সমাধান বা প্রত্যাবাসনের চেয়ে সংকট টিকিয়ে রাখাই অনেক এনজিওর অঘোষিত লক্ষ্যে পরিণত হয়েছে।
মানবিক সহায়তা অবশ্যই প্রশংসনীয়, কিন্তু তা যদি কোনো দেশের জাতীয় নিরাপত্তা এবং একটি স্থায়ী সংকটের সমাধানের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়, তবে তা উদ্বেগের বিষয়। বাংলাদেশ সরকারকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কর্মরত এনজিওগুলোর আর্থিক লেনদেন, কার্যক্রম এবং তাদের মোটিভ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। যেসব সংস্থা প্রত্যাবাসন বিরোধী কার্যকলাপে লিপ্ত, তাদের লাইসেন্স বাতিলসহ কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। সংকট জিইয়ে রাখা নয়, বরং রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোই হোক সমস্ত আন্তর্জাতিক ও দেশীয় সংস্থার একমাত্র লক্ষ্য। মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ১৫লক্ষাধিক রোহিঙ্গা দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের সামাজিক, অর্থনৈতিক, পরিবেশগত ও জাতীয় নিরাপত্তার ওপর মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে। রোহিঙ্গাদের কারণে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বিশাল চাপ সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিদিন এদের ভরণপোষণের জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন হয়। অতিরিক্ত জনসংখ্যার চাপে কক্সবাজার ও তৎসংলগ্ন এলাকার বাজার ব্যবস্থা, দ্রব্যমূল্য এবং জীবনযাত্রার ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানীয় জনগোষ্ঠীর আয়ের প্রধান উৎস যেমন কৃষি এবং পর্যটন শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে ঘন পাহাড়ি বনভূমি কেটে রোহিঙ্গাদের জন্য ক্যাম্প ও ঝুপড়ি ঘর তৈরি করা হয়েছে। এর ফলে ব্যাপক বনভূমি ধ্বংস হয়েছে এবং জীববৈচিত্র্য চরম হুমকির মুখে পড়েছে। পাহাড় কাটার ফলে প্রতি বর্ষায় সেখানে পাহাড় ধসের ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ ছাড়া লক্ষাধিক মানুষের প্রতিদিনের জ্বালানি কাঠের জোগান দিতে গিয়ে আশেপাশের সংরক্ষিত বনাঞ্চল উজাড় হচ্ছে, যা পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতিসাধন করছে।
ক্যাম্পগুলোতে আধিপত্য বিস্তার, বিভিন্ন সন্ত্রাসী গ্রুপের অন্তর্দ্বন্দ্ব, খুন, অপহরণ এবং চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটছে নিয়মিত। এ ছাড়াও ইয়াবা ও আইনসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকের অবৈধ চোরাচালান বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বাংলাদেশের যুবসমাজের নৈতিক ও শারীরিক ধ্বংসের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। রোহিঙ্গা ক্যাম্পের অভ্যন্তরীণ অপরাধ স্থানীয় জনগোষ্ঠীর স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে ভীষণভাবে ব্যাহত করছে।
সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো রোহিঙ্গাদের দীর্ঘমেয়াদি উপস্থিতি বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি স্বরূপ। মিয়ানমার থেকে আগত বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠী বাংলাদেশের ভেতরে অবস্থান নিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। অবৈধভাবে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ও পাসপোর্ট তৈরির মতো গুরুতর অভিযোগও পাওয়া গেছে, যা দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ।
বর্তমান ও ভবিষ্যতের নেতৃত্ব হিসেবে তারেক রহমানকে শহীদ জিয়ার সেই ‘জাতীয়তাবাদী ও দূরদর্শী’ নীতিকেই ধারণ করতে হবে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সাথে নিয়ে, মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ শক্তির সাথে ভারসাম্য বজায় রেখে এবং দেশের অভ্যন্তরে ইস্পাতকঠিন ঐক্য গড়ে তোলার মাধ্যমেই কেবল এ সংকটের স্থায়ী সমাধান সম্ভব।
লেখক: মহাসচিব, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সংগ্রাম জাতীয় কমিটি; সিনিয়র সহ সভাপতি, বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ ফোরাম ও চেয়ারম্যান, পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদ, উখিয়া, কক্সবাজার।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *